পাহাড়ের বুকে নীল আকাশ – বান্দরবানে আমার এক অবিস্মরণীয় বান্দরবান ভ্রমণের হৃদয়ছোঁয়া অভিজ্ঞতা। পাহাড়, ঝরনা আর গ্রামীণ জীবনের গল্পে ভরা আবেগঘন ভ্রমণ কাহিনি। প্রকৃতির ডাক সবসময়ই আমাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। শহরের কোলাহল, দমবন্ধ করা যানজট আর একঘেয়েমি জীবন থেকে পালাতে আমার মন সবসময় পাহাড়ের দিকে ছুটে যায়। তাই এক সকালে হঠাৎ ঠিক করলাম—এবার যাওয়া হবে বান্দরবান। বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখছিলাম দূরের অচেনা গ্রাম, পথের ধুলো আর পাহাড়ের ক্রমশ উঁচু হয়ে ওঠা শরীর। মনে হচ্ছিল প্রতিটা বাঁক যেন আমাকে নতুন কোনো গল্প শোনাচ্ছে। বান্দরবানে পৌঁছে প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ল, সেটা হলো সবুজে মোড়া পাহাড়ের অন্তহীন সারি। পাহাড়গুলো যেন আকাশকে ছুঁতে চায়, আর আকাশও মায়া ভরে সেগুলোকে বুকে টেনে নেয়। নীলগিরির চূড়ায় দাঁড়িয়ে যখন মেঘগুলোকে হাতের নাগালে পেলাম, মনে হলো আমি আর বাস্তবে নেই—আমি যেন কোনো স্বপ্নরাজ্যে হারিয়ে গেছি। তারপর যাত্রা শুরু হলো নাফাখুম ঝরনার পথে। পাথুরে পথ, পাহাড়ি নদীর টলমলে পানি আর ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একসময় পৌঁছে গেলাম ঝরনার সামনে। ঝরনার গর্জন যেন পাহাড়ের বুক ফুঁড়ে বের হয়ে আস...
🌿 নীরবতার যাত্রা: এক ভ্রমণ যেখানে শব্দ নয়, কথা বলে নীরবতা 🌿পাহাড়ি নির্জন রাস্তা, চারপাশে সবুজ নীরবতার ভ্রমণ কেমন হতে পারে? পাহাড়, নদী আর নির্জন পথে নিজের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের অনন্য গল্প পড়ুন। ভ্রমণ মানেই আমরা সাধারণত কল্পনা করি ভিড়ভাট্টা, কোলাহল, মানুষের হাসাহাসি, বা পর্যটনকেন্দ্রের ব্যস্ততা। কিন্তু একদিন হঠাৎ মনে হলো—যদি ভ্রমণ হয় একেবারে উল্টো? যদি কোনো জায়গায় গিয়ে শুধু নীরবতা শোনা যায়? এই ভাবনা নিয়েই আমি বেরিয়ে পড়লাম এক পাহাড়ি গ্রামে। শহর থেকে অনেক দূরে, যেখানে মোবাইলের সিগনাল দুর্বল, রাস্তার আলো নেই, আর রাত নামলেই অন্ধকারে জোনাকি জ্বলে ওঠে। পথে হাঁটতে হাঁটতে আমি বুঝতে পারলাম, এই যাত্রার আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে নীরবতায়। পাহাড়ের গা বেয়ে যখন বাতাস বয়ে যাচ্ছিল, তখন সেই শব্দটিও আর কোলাহল মনে হচ্ছিল না—বরং মনে হচ্ছিল প্রকৃতির নিঃশব্দ সঙ্গীত। রাতের আকাশে অসংখ্য তারা, চারপাশে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, আর মাঝে মাঝে দূরে কুকুরের ডাকে পুরো গ্রাম যেন আরো গভীর নীরব হয়ে উঠছিল। এ নীরবতাই যেন ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সম্পদ। পরের দিন ভোরে যখন সূর্যের আলো পাহাড়ের গায়ে পড়ল, আমি বসে ...